প্রতিষ্ঠা

প্রতি মাসের ৭ তারিখ উত্তর বাড্ডা, ঢাকায় ও ১৫ তারিখ সিদ্দিক নগর, মানিকগঞ্জে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী তা‘লিমে ইসলাম মানিকগঞ্জ দরবার শরীফের শরী‘আত, ত্বরীকত, হাকীকাত, হিকমাহ, বায়‘আত, আল্লাহর যিকর, সুন্নাতের পরীক্ষা, ‘ইলমে মা‘রিফাত ও ‘ইলমে তাসাওউফের মাসিক মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয় । পরিচালনা ও আখেরী মুনাজাতে বিশেষ দু‘আ করবেন : যুগশ্রেষ্ঠ আল্লাহর ওলি, অন্যতম চিকিৎসা বিজ্ঞানী, দার্শনিক, পীরে কামিল ও মুকাম্মিল, কুতুবুল আলম, বিশিষ্ট হানাফী ফকীহ, শায়খুল হাদীস, আলহাজ্ব হযরত মাওলানা, আল্লামা ডক্টর মুহাম্মাদ মনজুরুল ইসলাম ছিদ্দিকী ছাহিব (দা.বা.) (হাফি), শায়খ ও পীর ছাহিব হুজুর, তা‘লিমে ইসলাম মানিকগঞ্জ দরবার শরীফ। বি.এ. (অনার্স); এম.এ. (আরবী সাহিত্য); এম.এম. (কামিল ফীল হাদীস); এম.ফিল. (এরাবিক ক্লাসিক); এলএল.বি; পিএইচ.ডি. (ফিকহ হানাফী)ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। মহান আল্লাহ রব্বুল ‘আলামীনের সান্নিধ্য লাভ ও তার প্রিয় রসূলের (স.) সুন্নতের অনুসরণ নিজের জীবন, পরিবার, রাষ্ট্র, ও বিশ্বে বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে দল, মত, জাতি, ধর্ম ও রাজনীতি নির্বিশেষে আপনারা সকলেই আমন্ত্রিত।

বিশিষ্টি ইসলামী চিন্তাবিদ, দার্শনিক, গবেষক, অন্যতম মুসলিম বিজ্ঞানী ও আধ্যাত্মিক মহাসাধক, মোজাদ্দেদে মিল্লাত, পীরে মোকাম্মেল, গাউস-উল-আজম, কুতুব-উল-আকতাব, যুগশেষ্ঠ আল্লাহর ওলী, অধ্যাপক (অবঃ) আলহাজ্জ্ব হযরত মাওলানা মুহাম্মদ আযহারুল ইসলাম ছিদ্দিকী ছাহিব (রহ:) ১৯৬৫ সালে, ঐতিহ্যবাহী চরমোনাই দরবার শরীফ, বরিশাল এর প্রতিষ্ঠাতা হুজুর কেবলা আলহাজ্জ্ব হযরত মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মাদ ইছহাক ছাহিব (রহঃ) এর হুকুম ও দোয়ার মাধ্যমে তা‘লিমে যিকর মানিকগঞ্জ দরবার শরীফ প্রতিষ্ঠা করেন ও সমগ্র বিশ্বে ইসলামের ‘ইলমে শরীয়ত ও ‘ইলমে মা’রেফতের আলো ছড়িয়ে দেয়ার অক্লান্ত পরিশ্রম শুরু করেন। মাইলের পর মাইল, কখনো পায়ে হেটে, কখনো সাইকেল চালিয়ে হুজুর কেবলা মাহফিল করতে যেতেন এবং মানুষকে ইসলামের পথে আনতে লাগলেন। উল্লেখ্য যে, বরিশালের হুজুর কেবলা জীবিত থাকা অবস্থায় তিনি কখনোই নিজের নামে বয়াত (মুরিদ) করেননি, এটা তিনি আদবের খেলাফ মনে করতেন। সমাজে হাক্কানী আলেম তৈরীর লক্ষ্যে এই মহান আল্লাহর ওলী ১৯৭৭ সালে “জামিআ আরবিয়া সিদ্দিকীয়া দারুল উলুম মাদ্রসা” প্রতিষ্ঠা করেন। যেখানে আদব, এলমে শরিয়ত ও এলমে মা’রেফত ইত্যাদি বিষয়ের পাশাপাশি আরবী, উর্দু, বিজ্ঞান ও ইংরেজী বিষয়ের পূর্ণাঙ্গ তালিম দেয়া হয়। আধ্যাত্মিক জগতের এই দিকপাল তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে সমগ্র বিশ্বের প্রায় এক কোটি ত্রিশ লক্ষ মানুষকে সঠিক ইসলামের পথে পরিচালিত করে মহান আল্লাহ পাকের সাথে ভালবাসা স্থাপন করেছেন। মানিকগঞ্জ দরবার শরীফ হচ্ছে হুজুরপাক (সাঃ) কে ভালবাসার এবং তাঁর সুন্নাতকে সঠিকভাবে পালন করার দরবার শরীফ। তিনি প্রতি বছর অগ্রাহায়ণ ও ফাল্গুন মাসে দুইবার বাৎসরিক ইসলামী মহা সম্মেলনের আয়োজন করেন। যেখানে মাত্র তিন দিনে মানুষকে ‘ইলমে মা’রেফত ও ‘ইলমে শরীয়তের পূর্ণাঙ্গ তা‘লিম ও Practical Training এর মাধ্যমে ইসলামী জীবন ব্যবস্থা তথা হুযুরপাক (সাঃ) এঁর পূর্ণঙ্গ সুন্নাত পালনের জন্য পরিপূর্ণ শিক্ষা দান করা হয়। যেখানে দেশ বিদেশ থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষ ও ভক্তবৃন্দ ‘ইলমে শরিয়ত ও ‘ইলমে মা‘রেফতের তা‘লিম নিতে এবং নবীপ্রেমে মশগুল হয়ে সুন্নাতের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পাগলের মত ছুটে আসেন। এখনে পর্দা, আদব, আখলাক, এলেম থেকে শুরু করে তাসবিহ, পাগড়ী, মেসওয়াক পর্যন্ত সকল সুন্নতের পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা নেয়া হয়। দেশ-বিদেশ থেকে আগত বিভিন্ন আলেম ওলামাগণ মন্তব্য করেছেন- “মনিকগনঞ্জ দরবার শরীফ সুন্নাত ও আদবের দরবার” পৃথিবীর সমস্ত জ্ঞানের উৎস হচ্ছে কোরআন শরীফ ও হাদিস শরীফ। তার বাস্তব প্রমাণ মানিকগঞ্জ দরবার শরীফে গেলে স্বচক্ষে অবলোকন করা যায়।

মানিকগঞ্জ দরবার শরীফে শিক্ষিত, জ্ঞানী ও আলেমের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশী। বর্তমানে মোর্শেদ কেবলার বড় সাহেবজাদা ও প্রধান খলিফা পীরে কামেল মুকাম্মিল, অন্যতম চিকিৎসা বিঞ্জানী ও গবেষক, শাইখুল হাদীস

“হযরত মাওলানা মুফতি ড. মুহাম্মাদ মনজুরুল ইসলাম ছিদ্দিকী” বি.এ.(অনার্স); এম.এ.(আরবী সাহিত্য); এম.এম.(কামিল ফীল হাদীস); এম. ফিল.;এলএল.বি; পিএইচ.ডি.(ফিকহ হানাফী); (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) পিতার নির্দেশ ও দোয়ার মাধ্যমে বাৎসরিক ইসলামী মহা-সম্মেলন ও তা‘লিমে যিকর মানিকগঞ্জ দরবার শরীফের ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটিয়ে সমগ্র বিশ্বে ইসলাম প্রচারে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখছেন। বর্তমান পীর ছাহিব হুযুর সম্পর্কে তিনি ২০০০ সালের ফাল্গুন মাসে (হযরত মাওলানা মুফতি ড. মুহাম্মাদ মনজুরুল ইসলাম ছিদ্দিকী) সম্পর্কে বাৎসরিক ইসলামী মহা-সম্মেলনে মোর্শেদ (আলহাজ্জ হযরত মাওলানা মুহাম্মদ আযহারুল ইসলাম সিদ্দিকী সাহেব (রহ:) কেবলা বলেছিলেন “তোমাদের জন্য আমি দরদভরা একজন দরদী মনের মানুষকে রেখে গেলাম, আমি আমার ‘আমলে যতটুকু ইসলামের প্রচার এবং প্রসার করেছি আমার আদরের ছেলে, আল্লাহর বান্দা ‘তার আমলে এর চাইতে “দশ গুন” বেশী প্রচার এবং প্রসার করবে, ইনশাআল্লাহ। বাপকা বেটা সিপাই কা ঘোড়া– পিতার ছেলে শক্তিশালী হলেই পিতা শক্তিশালী হয়। আমার এ ছেলে আল্লাহ বান্দা দুনিয়াতে আসার পূর্বে আমি চোখের পানি ফেলে আল্লাহপাকের নিকট দোয়া করেছিলাম মা‘বূদ আমাকে একটি ছেলে সন্তান দেন আমি এই সন্তানকে ইসলামের কাজের জন্য নিয়োজিত করবো, আল্লাহপাক আমার এ দোয়া কবুল করেছেন (আলহামদুলিল্লাহ)“। যেই মহান আল্লাহর ওলী চোখের পলকে একজন জাহান্নামী মানুষকে আল্লাহর ওলী বানাতে পারতেন সেই মোর্শেদ কেবলা চোখের পানি ঝরিয়ে যাঁকে দুনিয়াতে এনেছেন সেই মানুষটি কেমন হতে পারে জ্ঞানী মানুষ খুব সহজেই তা বুঝতে পারেন। আমরা সবাই যেন এই মহা নেয়ামতের সঠিক কদর করতে পারি। উল্লেখ্য যে, তা‘লিমে যিকর মানিকগঞ্জ দরবার শরীফের সকল মুরিদ ও সালিকগণ ধর্মীয় গোড়ামী, কুসংস্কার, অন্ধবিশ্বাস থেকে সম্পূর্ণরুপে নিরাপদ, কারণ মানিকগঞ্জ দরবার শরীফের পীর সাহেব হুজুর, একজন শিক্ষাবিদ হিসাবে শুধু বাংলাদেশেই নয়, সমগ্র বিশ্বে অন্যতম। পাক ভারত উপমহাদেশে এত উচ্চ শিক্ষিত পীর নেই বললেই চলে। একজন খাটি আল্লাহর ওলী, জাইয়েদ ‘আলেম ও একজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদের ছুহবতে এসে মহান আল্লাহপাকের সান্নিধ্য অর্জনের লক্ষ্যে সকলে আমন্ত্রিত।

মহাবিশ্বের মহাস্রষ্টা আল্লাহ রাব্বুল আ‘লামীন তাঁর হাবীব সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব হযরত মুহাম্মাদ (সা:) কে সিরাজ্জুম্মুনিরা বা প্রজ্জলিত চেরাগ নামে আখ্যা দিয়েছেন। এ চেরাগ কিয়ামত পর্যন্ত সর্বাবস্থায় প্রজ্জলিত থাকবে। নবুয়্যাতের যামানা শেষ হয়ে গেছে কিন্তু বিলায়াতের যামানা চালু রয়েছে এবং থাকবে ‘ইনশাআল্লাহ’ যুগে যুগে আল্লাহর ‘অলীগণ বিলায়াতের পবিত্র দায়িত্ব পালন করে তা‘লিমে যিকরের মাধ্যমে মানুষের আত্মশূদ্ধি অর্জনের ব্যবস্থা ও তাছাওউফের জ্ঞান দান করে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করে গিয়েছেন, যা প্রজ্জলিত চেরাগেরই আলো। ঠিক তারই ধারাবাহিকতায় পাক ভারত উপমহাদেশের প্রখ্যাত পীরে কামিল ও মুকাম্মিল, বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, দার্শনিক, অন্যতম মুসলিম বিজ্ঞানী ও গবেষক, আধ্যাত্মিক মহাসাধক, কুতুবে আলম অধ্যাপক (অব.) আলহাজ্জ্ব হযরত মাওলানা মুহাম্মদ আযহারুল ইসলাম সিদ্দিকী সাহেব (রহ.) ১৯৬৫ সালে তা‘লিমে যিকর প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার ৪৪ বছর পর গত ১৯ নভেম্বর ২০০৯ ইং তারিখে ৮৮তম বাৎসরিক ইসলামী মহা-সম্মেলনে তা‘লিমে যিকর এর পক্ষ থেকে চিশতিয়া ছাবিরিয়া তরীক্বার তা‘লিমে যিকরের আলো গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে বিশ্ব ঐক্য ও বিশ্ব শান্তির লক্ষ্যে বিশ্বের প্রথম ‘ইলমে তাছাওউফের বিশ্ব ইজতিমা’র ডাক দেওয়া হয়েছে, যেখানে দল, মত, জাতি, ধর্ম নির্বিশেষে সকলের আত্মশূদ্ধির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ বিশ্ব ইজতিমা একটি ব্যতিক্রমধর্মী বিশ্ব ইজতিমা। এটি বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী তা’লিমে ইসলাম মানিকগঞ্জ দরবার শরীফে বিশ্বের প্রথম শরী‘আত, ত্বরীকত, হাকীকাত, হিকমাহ, বায়‘আত, আল্লাহর যিকর, সুন্নাতের পরীক্ষা, ‘ইলমে মা‘রিফাত ও ‘ইলমে তাসাওউফের বিশ্ব ইজতিমা‘। আখিরী মুনাজাতে দেশ-বিদেশের প্রায় ৪০ লক্ষ মানুষ উপস্থিত হয়।

বিশ্ব ইজতিমা‘ পরিচালনা ও আখেরী মুনাজাতে বিশেষ দু‘আ করেন : যুগশ্রেষ্ঠ আল্লাহর ওলি, অন্যতম চিকিৎসা বিজ্ঞানী, দার্শনিক, পীরে কামিল ও মুকাম্মিল, কুতুবুল আলম, বিশিষ্ট হানাফী ফকীহ, শায়খুল হাদীস, আলহাজ্ব হযরত মাওলানা, আল্লামা ডক্টর মুহাম্মাদ মনজুরুল ইসলাম ছিদ্দিকী ছাহিব (দা.বা.) (হাফি), বি.এ. (অনার্স); এম.এ. (আরবী সাহিত্য); এম.এম. (কামিল ফীল হাদীস); এম.ফিল. (এরাবিক ক্লাসিক); এলএল.বি; পিএইচ.ডি. (ফিকহ হানাফী) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শায়খ ও পীর ছাহিব হুজুর, তা‘লিমে ইসলাম মানিকগঞ্জ দরবার শরীফ।

মহান আল্লাহ রব্বুল ‘আলামীনের সান্নিধ্য লাভ ও তার প্রিয় রসূলের (স.) সুন্নতের অনুসরণ নিজের জীবন, পরিবার, রাষ্ট্র, ও বিশ্বে বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে দল, মত, জাতি, ধর্ম ও রাজনীতি নির্বিশেষে আপনারা সকলেই আমন্ত্রিত।

Flag Counter